জঘণ্য রকমের বিশ্রী উৎকট গন্ধ গান্ধি পোকায় কেন ?😷😷
self defence mechanism বা আত্মরক্ষার পদ্ধতি। প্রতিকূল পরিবেশ থেকে নিজেকে রক্ষা করা প্রতিটি জীবেরই একটি বৈশিষ্ট্য। একেক প্রাণি একেক পদ্ধতিতে বহিঃশত্রু থেকে নিজেকে রক্ষা করে থাকে। কেউ শত্রুর দিকে শিং নিয়ে তেড়ে আসে, কেউ ছোবল মেরে বিষ ঢুকিয়ে দেয়, কেউ দেয় কামড়, কেউ কালি নিক্ষেপ করে দেয়, কেউ আবার রং পরিবর্তন করে আত্মগোপন করে। এরকম হাজারটা পদ্ধতিতে রয়েছে প্রাণিজগতে যা দেখলে অবাক হয়ে যেতে হবে। আমাদের আলোচ্য গান্ধি পোকা তার প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা তৈরি করেছে বিশ্রী গন্ধের গ্যাস নির্গমন দিয়ে।
গান্ধি পোকার তলদেশে রয়েছে একধরণের নিঃসারক গ্রন্থি। এসব গ্রন্থিতে সঞ্চিত থাকে একধরণের অ্যালডিহাইড। এই অ্যালডিহাইডই গান্ধি পোকা নিঃসরণ করে যখন সে বিপদ অনুভব করে থাকে। এই অ্যালডিহাইডের উচ্চ ঘণত্বের কারণে এই ছোট্ট পোকা থেকে এত বিকট গন্ধ পাওয়া যায়।
তার আত্মরক্ষার পদ্ধতিটি যে বেশ ভালো রকমের কার্যকর তা আমাদের নাক সিটকানো দেখলেই বোঝা যায়।
তাই গান্ধি পোকা দেখলে তাকে নিয়ে না ঘাটানোই ভাল। কে না জানে, কখন সে বিপদ মনে করে আবার গ্যাস ছেড়ে দেয়।
Copied