ফেইসবুক হাজার মানুষের হাজার রকমের পোষ্ট। পোষ্টের ধরন যে কত প্রকার হতে পারে তার ইয়ত্তা নেই। কে কখন কোথায় গেলো, কখন বউয়ের সাথে কি খাইলো, কোথায় ঘুরতে গেলো এগুলোর ছবি। এগুলো দিয়ে কি সূখ প্রকাশ করা যায়?? নাকি ভালোবাসা প্রকাশ করা যায়??
ভালোবাসা কি এত মেকি? সূখ কি এতই সস্তা একটা ছবি দিয়ে সূখি থাকা প্রকাশ করা যায়?

মানুষের অন্তর ক্ষনিত আনন্দ ও ক্ষনিক ভালোলাগার বিষয়গুলোর প্রতি বেশি আসক্ত। নিজেদের ভালোথাকা মানুষকে বুঝিয়ে লাভ? 

আর সেটি যদি স্বামী-বউ হয় তাহলে সেটি আরো বেশি চিন্তার বিষয়। কারন স্বামী এবং বউয়ের একান্ত কাটানো মানে ঘুরতে গিয়ে কাটানো সময়, একসাথে খাওয়ার সময়ের ছবি মানুষের সাথে শেয়ার করার অর্থ বুঝা খুব একটা কঠিন না। আপনি আমি যখন এগুলো শেয়ার দেই তখন এর মধ্যে মানুষকে দেখানোর একটি প্রচ্ছন্ন ভাব থাকে। দেখানো। এই দেখানো জিনিসটি আসলেই খুব একটা পজিটিভ না। কারন মানুষকে দেখানোর প্রবনতা আসলে এক ধরনের গরীব অন্তরের কাজ। যে অন্তরগুলো মানুষকে দেখিয়ে সূখ অনুভব করে। এগুলোর মধ্যে ভালাইও কিছু নেই। আগের যুগের মানুষের মধ্যে সূখ ছিলোনা? ছিলো সেখানে সম্পর্ক গুলো ছিলো আরো বেশি ভালো আরো বেশি মধুর। আগের সম্পর্ক গুলোর মধ্যে ছিলো একধরনের শ্রদ্ধা এবং খাটি ভালোবাসার বন্ধন। আর এখন সেটি এখন ক্ষনস্থায়ী এক ধরনের অনুভূতি।

এগুলো হওয়ার কারনই হলো মানুষের অন্তরের যে সৌন্দর্য্য তার অবনতির ফল। মানুষের অন্তর যখন স্রষ্টার জিকির থেকে দুরে অবস্থান করে তখন মানুষ নিজেদের ভালোলাগার জিনিসগুলো স্রস্টার সাথে শেয়ারের পরিবর্তে কমন মানুষের সাথে শেয়ার করে পরিতৃপ্তি খুজেফিরে। এগুলো হলো অতৃপ্ত আত্নার অনুভূতির প্রকাশ।