Skip to main content
Asked a question 8 months ago

আমি কীভাবে সোশ্যাল মিডিয়াতে মার্কেটিং করতে পারি?

কোথায় আপনি?

এই MSB Ask কমিউনিটিতে আপনি যেকোনো প্রশ্ন করতে পারবেন, উত্তর দিতে পারবেন এবং নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারবেন। তাই নতুন হলে সাইনআপ করুন, আর আগেই থেকেই অ্যাকাউন্ট থাকলে লগিন করুন।  

কি নিয়ে মার্কেটিং করতে চান

Masuk Sarker Batista
Founder & CEO of MSB Academy

মার্কেটিং অনেকভাবেই করা যায়। কিন্তু এর আগে জানতে হবে যে আপনি কোন জিনিস বা প্রোডাক্টের জন্য সোশ্যাল মিডিয়াতে মার্কেটিং করতে চান। আপনার প্রশ্নটি ক্লিয়ার না। 

Mohammad Alif
Digital Marketer | Philosophy Enthusiast

বহুল ব্যবহৃত কোন সোশাল সাইট এ আপনার নিস রিলেটেড পেজ বিল্ড আপ করুন, ফলোয়ার বারান এবং তারপর আপনার ডিসায়ারড জিনিস প্রমোট করুন।

১। ইউটিউব মার্কেটিং: অনলাইন মার্কেটিং করার অনেক উপায় আছে। তার মধ্যে ইউটিউব মার্কেটিং বর্তমানে সবথেকে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

। টুইটার মার্কেটিংঃ টুইটার ও একটি জনপ্রীয় সোসাল মিডিয়া সাইট। টুইটারের মাধ্যমে রিয়েল ও টার্গেটেড ট্রাফিক জেনারেট করা যায়। যা মার্কেটিং এর জন্য খুবই গরুত্বপূণ। রিয়েল ও টার্গেটেড ট্রাফিকের জন্য অনেক Research করতে হয়। তা নিয়ে চিন্তার কিছু নাই গুগল মামা আছেনা ! সারচ দিলে আপনি অসংখ্য টুলস পেয়ে যাবেন  যা দিয়ে আপনি পেইড ওয়ে এবং ওয়ে তে কাজ করতে পারেন।

পিন্টারেস্ট  মার্কের্টিং: সাত কোটিরও বেশি সংখ্যক যাদের মধ্যে বেশিরভাগ ব্লগার, কোম্পানী, ব্র্যান্ড এবং ব্যাবসা সমূহ নিয়ে পিন্টারেস্ট বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়াতে অনেক বড় একটা প্রভাব নিয়ে আছে।  আপনার অডিয়েন্সকে পাবার জন্য পিন্টারেস্ট একটা অসাধারণ জায়গা যেখানে ভিজিটরেরা বিভিন্নভাবে আসে।  ফটো শেয়ারিং সাইট হলেও, বিজনেস এর দিক দিয়ে পিন্টারেস্ট এর মত সুবিধাজনক জায়গা অন্যান্য সোসাল মিডিয়াতে পেতে অনেক কষ্ট করতে হয়।

রেডিট মার্কেটিংঃ রেডিট হল এমন একটি সোসাল সাইট যেটা অন্যগুলা থেকে একটু ভিন্ন । সবছেয়ে মজার বিষয় হল রেডিট থেকে হিউজ পরিমনান ট্রাফিক আপনি আপনার সাইটে কনভাট করতে পারেন। তাও আবার অল্প সময়ের মধ্যে। কি অবাব হচ্ছেন তাহলে একবার ঘুরে আসুন তাহলে কিছুটা বুঝতে পারবেন।

  সাবরেডিটঃ সাবরেডিট হল এক একটা বিভাগ বা ক্যাটাগরি। যা থেকে আপনি নিদিষ্ট সাবরেডিট সিলেক্ট করে কাজ করতে পারেন।

পোষ্ট কার্মাঃ পোষ্ট কারমা হল আপনি যখন কোন একটা পোস্ট করবেন যেমন টা আপনি ফেইসবুকে করেন আর যার বিনিময়ে আপনি লাইক কমেন্ট এবং ডিসলাইক পেয়ে থাকেন। আর রেডিটে আছে আপভোট আর ডাউনভোট আপনি যতগুনো আপভোট পাবেন তার উপর হিসেব করে আপনাকে কতগুলো পোষ্ট কারমা দেওয়া হবে এবং যা দিয়ে আপনি পরবতীতে পোষ্ট করতে পারবেন। পোষ্ট কারমা ছাড়া আপনি পোষ্ট করতে পারবেন না।আবার ডাউনভোট পেলে আপভোট থেকে কাটা যাবে।

তবে একটা জিনিষ মাথায় রাখবেন রেডিটে পোষ্ট করার কিন্তু কিছু নিয়ম আছে। আপনি যে সাবরেডিট সিলেক্ট করবেন সেই সম্পকীত পোষ্ট কিন্তু করতে হবে। না হয় বেন খাওয়ার সম্ভাবনা  আছে।

মার্কেটিংঃ আপনারা ভাবতে পারেন ফেইসবুক একটি জনপ্রীয় সোসাল সাইট আমি কেন এটাকে সবার শেষে রাখলাম। এটার ও একটা বড় কারন আছে। কারণ ফেইসবুক থেকে টার্গেটেড ট্রাফিক পাওয়া খুবই কষ্ট সাধ্য ব্যাপার। আমাদের দরকার রিয়েল ট্রাফিক, আর ট্রাফিক ছাড়া মার্কেটিং এ সফল হওয়া সম্ভব না। বর্তমানে ফেইসবুক স্কামিং বেশি হওয়ার কারণে বাহিরের দশ গুলা কিন্তু ফেইসবুকে খুব একটা ব্যবহার করে না। তো এই বিষয়গুলা আমাদের মাথায় রাখতে হবে।

Social media marketing এর নিয়ম বা প্রক্রিয়া অনেক সহজ। এখানে আপনার কেবল এমন কিছু platforms বেঁচে নিতে হবে, যেগুলিতে অনেক পরিমানে লোকেরা সক্রিয় (active) থাকে। উদাহর স্বরূপে, Facebook9 এবং Twitter9 .

এখন, মার্কেটিং বা প্রচার করার আগেই, আপনার ব্র্যান্ড (brand) বা পণ্যের নামের একটি profile, পেজ (page), গ্রুপ (group) বা কমিউনিটি (community) তৈরি করতে হবে। আপনি সবটাই ফ্রীতেই করতে পারবেন।

  •  

এখন, বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া সাইট বা এপস গুলিতে profile, group বা page বানানোর পর আপনার উদ্দেশ্য হবে সেগুলিতে “ফলোয়ার্স (followers)” বা “লাইক করা লোকেদের সংখ্যা” বৃদ্ধি করানোর।

মনে রাখবেন, যত বেশি followers বা like করা লোকেদের সংখ্যা বেশি থাকবে, ততটাই পপুলার (popular) আপনার বানানো পেজ বা প্রোফাইল হয়ে উঠবে।

এখন, সময়ে সময়ে নিজের ব্যবসা, পণ্য বা সার্ভিস এর সাথে জড়িত খবর, update, offer বা new products & services নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পেজ বা প্রোফাইল গুলিতে পোস্ট বা প্রচার করতে থাকুন।

এতে, ইন্টারনেট এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে সক্রিয় থাকা আপনার ফলোয়ার্স (followers) রা সময়ে সময়ে আপনার প্রচার (promotion) গুলি দেখতে পারবেন এবং ফ্রীতেই ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসেই আপনার ব্যবসা বা ব্র্যান্ড এর মার্কেটিং হতে থাকবে।

এভাবে, ইন্টারনেটে আপনি আপনার ব্যবসার বা ব্রান্ডের একটি অনলাইন গুরুত্ব তৈরি করতে পারবেন। এবং, এতে আস্তে আস্তে লোকেরা আপনার ব্যবসার বিষয়ে জানবেন আর লোকেদের মধ্যে ব্র্যান্ড (brand) এর একটি ভালো ছবি তৈরি হবে।

 

আপনি যদি একজন ব্লগার (blogger), তাহলে এই মাধ্যমে নিজের ব্লগে লেখা আর্টিকেল গুলি প্রচার করতে পারবেন। তাছাড়া, এই মাধ্যমে নিজের ব্লগে অনেক পরিমানে সোশ্যাল ট্রাফিক (social traffic) পেয়ে যাবেন।