Skip to main content
Mahmudul Hasan Ashik
Student | Blogger | Tech Lover
Asked a question 7 months ago

চাঁদপুর জেলায় কী কী দর্শনীয় আছে?

কোথায় আপনি?

এই MSB Ask কমিউনিটিতে আপনি যেকোনো প্রশ্ন করতে পারবেন, উত্তর দিতে পারবেন এবং নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারবেন। তাই নতুন হলে সাইনআপ করুন, আর আগেই থেকেই অ্যাকাউন্ট থাকলে লগিন করুন।  

ইলিশের বাড়ি নামে খ্যাত চাঁদপুর জেলা পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর মিলনস্থলে অবস্থিত। চাঁদপুর জেলার দর্শনীয় জায়গা গুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো; মোলহেড বা তিন নদীর মোহনা, অঙ্গীকার স্মৃতিসৌধ, রক্তধারা স্মৃতিসৌধ, ইলিশ চত্বর, ডিসির বাংলো, পর্তুগীজ দুর্গ, রূপসা জমিদার বাড়ি, মঠখোলার মঠ, বোয়ালিয়া জমিদার বাড়ি ইত্যাদি।

ক্রমিকনামকিভাবে যাওয়া যায়অবস্থান
মোলহেড : ত্রিনদীর সঙ্গমস্থলচাঁদপুর জেলার প্রাণকেন্দ্র শপথ চত্তর মোড় থেকে রিক্সা, অটোরিক্সা, বা নিজস্ব গাড়ি নিয়ে যাওয়া যায়। শপথ চত্তর থেকে এর দূরত্ব মাত্র ১/১.৫ কিলোমিটার। 
নুনিয়া দত্তের বাড়ি পূজা মন্দিরশাহরাস্তি উপজেলাধীন চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদ থেকে রিকসায় করে নুনিয়া গ্রামের দত্তবাড়ি পূজা মন্দিরে যাওয়া যায় 
হযরত রাস্তি শাহ (রঃ)-এর মাজার ও দিঘিচাঁদপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে বাস অথবা সিএনজি করে শাহরাস্তি গেইটে নেমে সিএনজি দিয়ে উপজেলা পরিষদ।শাহরাস্তি উপজেলা পরিষদ হতে রিক্সা অথবা সিএনজি করে শাহরাস্তি বাজার যেতে হবে। শাহরাস্তি বাজার এর উত্তর মাথায় শাহরাস্তি(রঃ) এর নামে স্থাপিত শাহরাস্তি মসজিদ ও মাদ্রাসা। 
রক্তধারাচাঁদপুর জেলার প্রাণকেন্দ্র শপথ চত্তর মোড় থেকে রিক্সা, অটোরিক্সা, বা নিজস্ব গাড়ি নিয়ে যাওয়া যায়। শপথ চত্তর থেকে এর দূরত্ব মাত্র ১/১.৫ কিলোমিটার। বাস স্ট্যান্ড থেকে প্রায় ২ কিমি। 
ইলিশ চত্বর

চাঁদপুর জেলার বাস স্ট্যান্ড এর পাসে এবং স্টেডিয়াম সামনে অবস্থিত। শপথ চত্তর মোড় থেকে রিক্সা, অটোরিক্সা, বা নিজস্ব গাড়ি নিয়ে যাওয়া যায়। শপথ চত্তর থেকে এর দূরত্ব মাত্র ১ কিলোমিটার।

 

 
অঙ্গীকার

হাসান আলী প্রাইমারি স্কুলের সামনে, লেকের উপর অবস্থিত। চাঁদপুর জেলার প্রাণকেন্দ্র শপথ চত্তর মোড় থেকে রিক্সা, অটোরিক্সা, বা নিজস্ব গাড়ি নিয়ে যাওয়া যায়। শপথ চত্তর থেকে এর দূরত্ব মাত্র ০.৫ কিলোমিটার এবং বাস স্ট্যান্ড থেকে ১.৫ কিমি ।

 

 
শপথ চত্বর

চাঁদপুর জেলার পাঁচ রাস্তার মোড় কালী বাড়িতে অবস্থিত। বাসস্ট্যান্ড থেকে রিক্সা, অটোরিক্সা, বা নিজস্ব গাড়ি নিয়ে যাওয়া যায়। ইলিশ চত্তর থেকে এর দূরত্ব মাত্র ১ কিলোমিটার।

 

 
চাঁদপুর স্টেডিয়াম চাঁদপুর জেলার প্রাণকেন্দ্র শপথ চত্তর মোড় থেকে রিক্সা, অটোরিক্সা, বা নিজস্ব গাড়ি নিয়ে যাওয়া যায়। শপথ চত্তর থেকে এর দূরত্ব মাত্র ১ কিলোমিটার। এবং বাস স্ট্যাড এর পাশে। 
অরুণ নন্দী সুইমিংপুলচাঁদপুর স্টেডিয়াম এর পাশে অবস্থিত। চাঁদপুর জেলার প্রাণকেন্দ্র শপথ চত্তর মোড় থেকে রিক্সা, অটোরিক্সা, বা নিজস্ব গাড়ি নিয়ে যাওয়া যায়। শপথ চত্তর থেকে এর দূরত্ব মাত্র ১ কিলোমিটার। এবং বাস স্ট্যাড এর পাশে। 
১০ডিসির বাংলোচাঁদপুর জেলা প্রেস ক্লাবের সামনে ও সদর হাসপাতালের পাশে। বাসস্ট্যান্ড থেকে রিক্সা, অটোরিক্সা, বা নিজস্ব গাড়ি নিয়ে যাওয়া যায়। ইলিশ চত্তর থেকে এর দূরত্ব মাত্র ১ কিলোমিটার। 
১১চৌধুরী বাড়িচাঁদপুর সদর উপজেলা থেকে সিএনজি যোগে চান্দ্রা ইউনিয়ন ভূঁইয়ার হাট রাস্তার মাথায় যাবো বলে উঠতে হয়। সেখান থেকে রিক্সা যোগে হরিপুর বাজার চৌধুরী বাড়ির কথা বললে অনায়াসে ১০ মিনিটের মধ্যে যাওয়া যাবে। 
Wasimul Haque Anis
নতুন তথ্যর সন্ধানে,
  1. হাজীগঞ্জ বোরো মসজিদ
  2. বড় স্টেশন
  3. অঙ্গিকার মুক্তি মূর্তি
  4. হযরত সায়েদ শাহ রাস্তি (র।) মাজার ও মসজিদ
  5. আলমগিরি মসজিদ
  6. রূপসা জমিদার বাড়ি
  7. তিন গম্বুজ মসজিদ
  8. নীলকুঠি
  9. চৌধুরী বাড়ি দুর্গ
  10. সাহারপরে দিঘি
Mohammad Alif
Digital Marketer | Philosophy Enthusiast

হাজীগঞ্জ বোরো মসজিদ, তিন গম্বুজ মসজিদ

দেশ-বিদেশে চাঁদপুরকে বিশেষভাবে উপস্থাপনের জন্য ২০১৫ সালের আগস্ট মাস হতে জেলা ব্র্যান্ডিং কার্যক্রম শুরু করেন তৎকালিন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুস সবুর মণ্ডল। ইলিশের সাথে সামঞ্জস্য রেখে এর ব্র্যান্ডিং নাম দেন ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর। ২০১৭ সালে দেশের প্রথম ব্র্যান্ডিং জেলা হিসেবে চাঁদপুরকে স্বীকৃতি দেয়। এ নামানুসারে একটি লোগো রয়েছে, যা অঙ্কন করেছেন এ জেলার সন্তান বরেণ্য চিত্রশিল্পী হাশেম খান। একইসাথে ইলিশের বাড়ি চাঁদপুর এর রূপকার হিসেবে স্বীকৃতি পান তৎকালিন (২০১৫-২০১৮) জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুস সবুর মণ্ডল।

ক্রমিকনামকিভাবে যাওয়া যায়অবস্থান
মোলহেড : ত্রিনদীর সঙ্গমস্থলচাঁদপুর জেলার প্রাণকেন্দ্র শপথ চত্তর মোড় থেকে রিক্সা, অটোরিক্সা, বা নিজস্ব গাড়ি নিয়ে যাওয়া যায়। শপথ চত্তর থেকে এর দূরত্ব মাত্র ১/১.৫ কিলোমিটার। 
নুনিয়া দত্তের বাড়ি পূজা মন্দিরশাহরাস্তি উপজেলাধীন চিতোষী পশ্চিম ইউনিয়ন পরিষদ থেকে রিকসায় করে নুনিয়া গ্রামের দত্তবাড়ি পূজা মন্দিরে যাওয়া যায় 
হযরত রাস্তি শাহ (রঃ)-এর মাজার ও দিঘিচাঁদপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে বাস অথবা সিএনজি করে শাহরাস্তি গেইটে নেমে সিএনজি দিয়ে উপজেলা পরিষদ।শাহরাস্তি উপজেলা পরিষদ হতে রিক্সা অথবা সিএনজি করে শাহরাস্তি বাজার যেতে হবে। শাহরাস্তি বাজার এর উত্তর মাথায় শাহরাস্তি(রঃ) এর নামে স্থাপিত শাহরাস্তি মসজিদ ও মাদ্রাসা। 
রক্তধারাচাঁদপুর জেলার প্রাণকেন্দ্র শপথ চত্তর মোড় থেকে রিক্সা, অটোরিক্সা, বা নিজস্ব গাড়ি নিয়ে যাওয়া যায়। শপথ চত্তর থেকে এর দূরত্ব মাত্র ১/১.৫ কিলোমিটার। বাস স্ট্যান্ড থেকে প্রায় ২ কিমি। 
ইলিশ চত্বর

চাঁদপুর জেলার বাস স্ট্যান্ড এর পাসে এবং স্টেডিয়াম সামনে অবস্থিত। শপথ চত্তর মোড় থেকে রিক্সা, অটোরিক্সা, বা নিজস্ব গাড়ি নিয়ে যাওয়া যায়। শপথ চত্তর থেকে এর দূরত্ব মাত্র ১ কিলোমিটার।

 

 
অঙ্গীকার

হাসান আলী প্রাইমারি স্কুলের সামনে, লেকের উপর অবস্থিত। চাঁদপুর জেলার প্রাণকেন্দ্র শপথ চত্তর মোড় থেকে রিক্সা, অটোরিক্সা, বা নিজস্ব গাড়ি নিয়ে যাওয়া যায়। শপথ চত্তর থেকে এর দূরত্ব মাত্র ০.৫ কিলোমিটার এবং বাস স্ট্যান্ড থেকে ১.৫ কিমি ।

 

 
শপথ চত্বর

চাঁদপুর জেলার পাঁচ রাস্তার মোড় কালী বাড়িতে অবস্থিত। বাসস্ট্যান্ড থেকে রিক্সা, অটোরিক্সা, বা নিজস্ব গাড়ি নিয়ে যাওয়া যায়। ইলিশ চত্তর থেকে এর দূরত্ব মাত্র ১ কিলোমিটার।

 

 
চাঁদপুর স্টেডিয়াম চাঁদপুর জেলার প্রাণকেন্দ্র শপথ চত্তর মোড় থেকে রিক্সা, অটোরিক্সা, বা নিজস্ব গাড়ি নিয়ে যাওয়া যায়। শপথ চত্তর থেকে এর দূরত্ব মাত্র ১ কিলোমিটার। এবং বাস স্ট্যাড এর পাশে। 
অরুণ নন্দী সুইমিংপুলচাঁদপুর স্টেডিয়াম এর পাশে অবস্থিত। চাঁদপুর জেলার প্রাণকেন্দ্র শপথ চত্তর মোড় থেকে রিক্সা, অটোরিক্সা, বা নিজস্ব গাড়ি নিয়ে যাওয়া যায়। শপথ চত্তর থেকে এর দূরত্ব মাত্র ১ কিলোমিটার। এবং বাস স্ট্যাড এর পাশে। 
১০ডিসির বাংলোচাঁদপুর জেলা প্রেস ক্লাবের সামনে ও সদর হাসপাতালের পাশে। বাসস্ট্যান্ড থেকে রিক্সা, অটোরিক্সা, বা নিজস্ব গাড়ি নিয়ে যাওয়া যায়। ইলিশ চত্তর থেকে এর দূরত্ব মাত্র ১ কিলোমিটার। 
১১চৌধুরী বাড়িচাঁদপুর সদর উপজেলা থেকে সিএনজি যোগে চান্দ্রা ইউনিয়ন ভূঁইয়ার হাট রাস্তার মাথায় যাবো বলে উঠতে হয়। সেখান থেকে রিক্সা যোগে হরিপুর বাজার চৌধুরী বাড়ির কথা বললে অনায়াসে ১০ মিনিটের মধ্যে যাওয়া যাবে। 

চাঁদপুরের দর্শনীয় স্থান গুলোর মধ্যে হাজীগঞ্জ ও পূরানবাজারের ঐতিহাসিক জামে মসজিদ ও মেঘনা পাড়ের সূর্যাস্তের দৃশ্য অন্যতম। প্রাচীন কীর্তিগুলোর মধ্যে ফরিদগঞ্জের সাহেবগঞ্জের নীলকুঠির ধ্বংসাবশেষ, মতলবের কালী মন্দির, লোহাগড়ের সাতগুম্বুজ মঠ, মেহেরের কালীবাড়ী, রাস্তি শাহ্ এ দরগাহ, নাওড়ার মঠ, সাচারের রথ, উজারী বেহুলার শিলা, নাসির কোট এর ধ্বংসাবশেষ ও মতলবের বেলতলীর সোলেমান শাহ লেংটা পাগলার মাজার। এছাড়া কচুয়া মনসা মুড়া, সাহার পাড়ের দীঘি।

 

চাঁদপুর শহরে অবস্থিত স্বাধীনতা স্মারক ভাষ্কর্য ‘অঙ্গীকার’ এবং চাঁদপুরের ঐতিহ্য সম্বলিত ‘শপথ’ ভাষ্কর্য দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যকীর্তি। এছাড়াও রয়েছে প্রাকৃতিক প্রতিকুলতার বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক উন্নয়নের নিমিত্ত চাঁদপুর জেলার কৃষি নির্ভর জনগণের আশার আলো ও সরকারের উন্নয়ন প্রচেষ্টার স্বাক্ষরবহনকারী দুটি ব্যয় বহুল প্রকল্প মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্প ও চাঁদপুর সেচ প্রকল্প জাতীয় ভিত্তিক দুটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং আইসিডিডিআরবি চাঁদপুরের ভৌগলিক চাহিদা ও গুরুত্বের প্রতিভূ।

 

বর্তমানে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রবেশদ্বারে নির্মাণের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নাম সম্বলিত স্মৃতি ফলক এবং ট্রাক রোডে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে চাঁদপুরের প্রথম শহীদ কালাম-খালেক-শুশীল-শংকর সহ অন্যান্য সকল শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে নির্মিত মুক্তিসৌধ আগামী দিনগুলোতে দর্শণীয় স্থান হিসেবে পরিচিতি পাবে

অনেক দর্শনীয় স্থান চাঁদপুর দেখতে পারবেন

প্রাকৃতিক শোভায় সুশোভিতচাঁদপুর জেলায় রয়েছে বহু দৃষ্টিনন্দন স্থান। এসব স্থান সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত কিছু বর্ণনা উপস্থাপন করা হল- 

 

 

চাঁদপুরের দর্শনীয় স্থান গুলোর মধ্যে 

হাজীগঞ্জ ও পূরানবাজারের ঐতিহাসিক জামে মসজিদ 

ও মেঘনা পাড়ের সূর্যাস্তের দৃশ্য অন্যতম। 

প্রাচীন কীর্তিগুলোর মধ্যে ফরিদগঞ্জের সাহেবগঞ্জের নীলকুঠির ধ্বংসাবশেষ, মতলবের কালী মন্দির, লোহাগড়ের সাতগুম্বুজ মঠ, মেহেরের কালীবাড়ী, রাস্তি শাহ্ এ দরগাহ, নাওড়ার মঠ, সাচারের রথ, উজারী বেহুলার শিলা, নাসির কোট এর ধ্বংসাবশেষ ও মতলবের বেলতলীর সোলেমান শাহ লেংটা পাগলার মাজার। 

এছাড়া কচুয়া মনসা মুড়া, সাহার পাড়ের দীঘি। চাঁদপুর শহরে অবস্থিত স্বাধীনতা স্মারক ভাষ্কর্য ‘অঙ্গীকার’ এবং চাঁদপুরের ঐতিহ্য সম্বলিত ‘শপথ’ ভাষ্কর্য দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যকীর্তি। 

এছাড়াও রয়েছে প্রাকৃতিক প্রতিকুলতার বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক উন্নয়নের নিমিত্ত চাঁদপুর জেলার কৃষি নির্ভর জনগণের আশার আলো ও সরকারের উন্নয়ন প্রচেষ্টার স্বাক্ষরবহনকারী দুটি ব্যয় বহুল প্রকল্প মেঘনা- ধনাগোদা সেচ প্রকল্প ও চাঁদপুর সেচ প্রকল্প জাতীয় ভিত্তিক দুটি গবেষনা প্রতিষ্ঠান মাৎস্য গবেষনা ইনষ্টিটিউট এবং আইসিডিডিআরবি চাঁদপুরের ভৌগলিক চাহিদা ও গুরুত্বের কথা অপরিহার্য।

 

প্রাকৃতিক শোভায় সুশোভিত চাঁদপুর জেলায় রয়েছে বহু দৃষ্টিনন্দন স্থান। এসব স্থান সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত কিছু বর্ণনা উপস্থাপন করা হল- 

 

 

চাঁদপুরের দর্শনীয় স্থান গুলোর মধ্যে হাজীগঞ্জ ও পূরানবাজারের ঐতিহাসিক জামে মসজিদ ও মেঘনা পাড়ের সূর্যাস্তের দৃশ্য অন্যতম। প্রাচীন কীর্তিগুলোর মধ্যে ফরিদগঞ্জের সাহেবগঞ্জের নীলকুঠির ধ্বংসাবশেষ, মতলবের কালী মন্দির, লোহাগড়ের সাতগুম্বুজ মঠ, মেহেরের কালীবাড়ী, রাস্তি শাহ্ এ দরগাহ, নাওড়ার মঠ, সাচারের রথ, উজারী বেহুলার শিলা, নাসির কোট এর ধ্বংসাবশেষ ও মতলবের বেলতলীর সোলেমান শাহ লেংটা পাগলার মাজার। এছাড়া কচুয়া মনসা মুড়া, সাহার পাড়ের দীঘি। চাঁদপুর শহরে অবস্থিত স্বাধীনতা স্মারক ভাষ্কর্য ‘অঙ্গীকার’ এবং চাঁদপুরের ঐতিহ্য সম্বলিত ‘শপথ’ ভাষ্কর্য দৃষ্টিনন্দন স্থাপত্যকীর্তি। এছাড়াও রয়েছে প্রাকৃতিক প্রতিকুলতার বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক উন্নয়নের নিমিত্ত চাঁদপুর জেলার কৃষি নির্ভর জনগণের আশার আলো ও সরকারের উন্নয়ন প্রচেষ্টার স্বাক্ষরবহনকারী দুটি ব্যয় বহুল প্রকল্প মেঘনা- ধনাগোদা সেচ প্রকল্প ও চাঁদপুর সেচ প্রকল্প জাতীয় ভিত্তিক দুটি গবেষনা প্রতিষ্ঠান মাৎস্য গবেষনা ইনষ্টিটিউট এবং আইসিডিডিআরবি চাঁদপুরের ভৌগলিক চাহিদা ও গুরুত্বের প্রতিভূ।

বর্তমানে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের প্রবেশদ্বারে নির্মাণের চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের নাম সম্বলিত স্মৃতি ফলক এবং ট্রাক রোডে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে চাঁদপুরের প্রথম শহীদ কালাম-খালেক-শুশীল-শংকর সহ অন্যান্য সকল শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মারণে নির্মিত মুক্তিসৌধ আগামী দিনগুলোতে দর্শণীয় স্থান হিসেবে পরিচিতি পাবে।