Skip to main content
Md Saddam Hossain
প্রযুক্তি এবং জীবনের ভাবনা
Asked a question 5 months ago

করোনা মোকাবেলায় বাংলাদেশ কতটা সক্রিয় বলে আপনার মনে হয়?

কোথায় আপনি?

এই MSB Ask কমিউনিটিতে আপনি যেকোনো প্রশ্ন করতে পারবেন, উত্তর দিতে পারবেন এবং নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারবেন। তাই নতুন হলে সাইনআপ করুন, আর আগেই থেকেই অ্যাকাউন্ট থাকলে লগিন করুন।  

বাংলাদেশ করোনার পিছে ছুটছে। বাংলাদেশ ঘনবসতি সম্পন্ন দেশ। আজকে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৪১জন। দিনে দিনে বাড়ছে।                                                                                                         

প্রধানমন্ত্রী সরকার অনেক চেষ্টা করতেছে। কিন্তু আমার মনে হয় আমাদের সরকারের তেমন কিছুই করার নাই। সব আমাদের নিজেদেরকে করতে হবে। করোনার বিরুদ্ধে যতদিন কোনো প্রতিষেধক আসছে যত দিন আসছে না, ততদিন আমাদের কে এইভাবেই চলতে হবে। কারণ আমরা চিনদের মতো সচেতন নই যে তাদের মতো করোনা জয় করতে পারব।                                                                    

তাই আপনি প্রশ্নটাকে এই ভাবে না করে বলতে পারেন করোনা মোকাবেলায় বাংলাদেশের মানুষ কতটা সক্রিয় তহলে ভালো হয়। তখন বলবো যে, বাংলাদেশের মানুষ এখনো তেমন সক্রীয় নয়। তাছাড়া হয়তবা সক্রিয় হওয়া তেমন সম্ভব নয়, করণ বাংলাদেশে ৬ কোটি দিনমজুর আছে। দেশ যদি ফুল লকডাউনে চলে যায় তাদের আপনি শত চেষ্টা করেও ঘরে রাখতে পারবেন না। আর মধ্যবিত্তদের ই বা কি হবে???

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চীন  ভাইরাসটি প্রথম দেখা দেওয়ার পরেও অনেক সময় থাকার পরেও  করোনভাইরাসটির গুরুতর ক্ষেত্রে মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা এবং সহায়তায় বাংলাদেশ সম্পূর্ণ প্রস্তুত হয়নি।

 

 

অনেকে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে ভেন্টিলেটর সহ সুবিধাগুলি সহ ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) বেডের গুরুতর অভাব রয়েছে, সিওভিডের সাথে লড়াইয়ের জন্য জাতীয় তহবিল সহ স্বাস্থ্যসেবা কর্মীদের ব্যক্তিগত প্রোটেকটিভ সরঞ্জাম (পিপিই) এর ঘাটতি, টেস্ট কিট এবং অন্যান্য সংস্থার অভাব রয়েছে -19 প্রাদুর্ভাব।

 

"দুর্বল স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের কারণে বাংলাদেশ এই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। রোগীদের জন্য প্রস্তুত আইসিইউ বেড এবং চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যসেবা সহযোগীদের পিপিই সরবরাহের প্রয়োজনীয় সংকট রয়েছে।যদি কিছু ঘটে থাকে, এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইতালি বা স্পেন এখন করোন ভাইরাস মহামারীতে যে সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে, তার দশ ভাগের এক ভাগও হয়, তবে আইসিইউর অপর্যাপ্ত সুবিধা এবং  প্রতিটি অঞ্চলে ভয়াবহ অবস্থা হবে।

করোনাভাইরাসের মহামারি যে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক সংকট, তাতে সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই। এটি যেমন জনস্বাস্থ্যগত সংকট, তেমনই দৈনন্দিন জীবনযাত্রার সংকট। ‘আমাদের এমনটি হবে না’, ভাবনাটি ইতিমধ্যেই ভুল প্রমাণিত হয়েছে। একই সঙ্গে আমাদের স্বাস্থ্যসেবা খাত এ ধরনের বৈশ্বিক মহামারি মোকাবিলায় কতটা অপ্রস্তুত, তা–ও এখন ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে। বাংলাদেশের আগে আরও শতাধিক দেশে এই রোগের সংক্রমণ ঘটেছে। ফলে অজানা শত্রুর ভয়ংকর থাবা থেকে ক্ষয়ক্ষতি কমানোর সবচেয়ে কার্যকর কৌশল বেছে নেওয়ার কিছুটা সুযোগ আমাদের সামনে ছিল কিন্তু তা আমরা কাজে লাগাতে পারি নি।

বাংলাদেশের এখনো আরো অনেক ঘাটতি আছে। আজকের নিউজে দেখলাম হাসপাতালে বেডের অভাবে ৬৮% বাংলাদেশি করোানা রোগী ঘর থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এর মাধ্যমে আমাদের দেশের প্রস্তুতি কতটা তা বুঝা যায়, এবং আমাদের সক্রিয়তাও কি রকম তা প্রকাশ পায়।

পদক্ষেপ আমার চোখে পরে না। এখনো সবাই বিকাল হলে ঘুরে বেড়াই, এখনো সবাই কাজের জন্য বের হয়। জানিনা আর্মি কি করে। তবে পদক্ষেপ আরও কঠোর করা উচিত। আমার বেক্তিগত ভাবে মনে দেশের এই নেতারা কোন কাজে আসছে না শুধু foundation গুলো মানুষের সেবা করসে। যদিও সেই সেবা খুবী আল্প ধরতে গেলে। যাই হোক 

তবে আমার বেক্তি গত ভাবে মনে হয় যেন 

করোনা নয়,  এ যেন যানবাহন চলা বন্ধ ও তার সাথে সকল দোকান বন্ধ। এর চেয়ে বেশি কিছু না কারণ এখনো মানুষ বের হয়। কক্সবাজার যাই। 

Question Stats

23 views
2 followers
Asked a question 5 months ago
Views this month