Skip to main content
Zarif Mahmud
Simple man
Asked a question 2 years ago

মানুষের মাঝে মাঝ ভালো লাগে না কেন?

কোথায় আপনি?

এই MSB Ask কমিউনিটিতে আপনি যেকোনো প্রশ্ন করতে পারবেন, উত্তর দিতে পারবেন এবং নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারবেন। তাই নতুন হলে সাইনআপ করুন, আর আগেই থেকেই অ্যাকাউন্ট থাকলে লগিন করুন।  

যেকোনো কাজ একনাগাড়ে করতে থাকলে বা একাকীত্ব বোধ হলে অনেক সময় কোন কিছুই ভালো লাগেনা। এটা মনোবিজ্ঞানের কথা। মানুষের টানা ব্যস্ত থাকলে যেমন বিরক্তির সৃষ্টি হতে পারে তেমনি অনেকক্ষণ কোনো কিছু না করলেও একই বিভক্তি সৃষ্টি হতে পারে। তাই কিছু ভালো নাও লাগতে পারে।আবার অনেক সময় ধারাবাহিক কাজের মধ্যে ব্যাঘাত সৃষ্টি হলেও কিছু ভালো নাও লাগতে পারে। যেমন এখন যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে তাতে তো ঘরে বসা ছাড়া কিছুই করা যাচ্ছে না। তাই এক ধরনের বিরক্তি সৃষ্টি হচ্ছে। বিভিন্ন সৃষ্টিশীল কাজের মাধ্যমে আপনি এই বিরক্তি কাটাতে পারবেন।

যে কোন কাজ একটানা করলে টা ভালও লাগে না। সেটা যতই প্রিয় কাজ হোক। মুলত যেমন আজকে আমার ফ্রেন্ড বলল তার আর শুক্রবার ভালও লাগে না। কারণ এখন প্রতিদিন এ শুক্রবার। এটা খুব একটা সাধারণ ব্যাপার। তাই দেখবেন বড়লোকরা দামি গাড়ি ছড়ে মজা পাই না। পাইলট রা বিমান উঠে কোন মজা পাই না। বা আপনিও আপনার সপ্নের চাকরি পেয়ে ২-৩ বছর পর বিরক্ত হয়ে যাবেন। তাই এসব এর থেকে ভালও একটা সমাধান হল 

  • প্রতি ৩ মাসে একটি করে টুঁর দাওয়া
  • ভাল লাগে এমন কিছু করা
  • ৬ বছর এর নিচে ও ৫০ বছর এর উপরে কারো সাথে ১ ঘণ্টা সময় দাওয়া। 

মুলত এগুলই করতে পারেন। তাইলে আশা করি ভালও কাটবে। 

কোনো কিছু একনাগাড়ে করতে থাকলে বা একাকীত্ব বোধ হলে অনেক সময় কোন কিছুই ভালো লাগেনা। এর জন্য আপনি যা যা করতে পারেন-

 

*যে কাজটি করতে ভালো লাগছে না, আপাতত সেটা করবেন না। মন ভালো থাকলে কাজটি এমনিতেই ভালো হবে।

* পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে রাগ না করে তাঁদের বুঝিয়ে বলুন।

* বন্ধুমহলেও রাগ না করে তাঁদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করতে পারেন, হয়তো আপনার এমন আচরণে বন্ধুরাও অনেকটা দূরে সরে গেছেন। সেই দূরত্বটা নিজে থেকেই কমিয়ে আনার চেষ্টা করুন।

* সঠিক সময়ে খাবার এবং ঘুমের অভ্যাস করুন। খাবার তালিকায় সবজি এবং যথেষ্ট পরিমাণে পানি রাখুন। আর ঘুমটা হতে হবে কমপক্ষে ৬ ঘণ্টার।

* ইয়োগা কিংবা নিয়মিত শরীরচর্চার ফলেও বিষণ্নতা কেটে যাবে। এ ছাড়া শরীরে রক্তপ্রবাহ এবং মাংসপেশি ঠিক থাকবে। বেশি কিছু না হলে প্রতিদিন সন্ধ্যায় অন্তত এক ঘণ্টা হাঁটার অভ্যাস করুন।

* অবসরে কোথাও বেড়িয়ে আসুন। চাইলে প্রতি সপ্তাহেই কোথাও ঘুরে আসতে পারেন। এতে মনের একঘেয়েমি কেটে উঠবে সহজেই।

* সমস্যাগুলোকে তালিকাভুক্ত করুন। নিজেকে জিজ্ঞেস করুন, আপনি কী করতে চান বা কোন ব্যাপারগুলো আপনাকে বাধা দিচ্ছে। নিজের কাজে দৃঢ়তা বজায় রাখুন।

* চাইলে কাউন্সেলরের সঙ্গেও কথা বলতে পারেন। এতে ব্যাপারটা অনেক সহজ হয়ে উঠবে।

* তাহলে এবার মনটা প্রফুল্ল করেই ফেলুন!

শরীরের যেমন রোগ হয়, ঠিক তেমনি মনেরও রোগ হয়। এটা মনের রোগ।

Related Questions

Question Stats

279 views
4 followers
Asked a question 2 years ago
Views this month