Skip to main content
Roton Kumar Roy
Asked a question 7 months ago

নকল টাকার নোট চেনার কোনো সহজ উপায় আছে কি?

কোথায় আপনি?

এই MSB Ask কমিউনিটিতে আপনি যেকোনো প্রশ্ন করতে পারবেন, উত্তর দিতে পারবেন এবং নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারবেন। তাই নতুন হলে সাইনআপ করুন, আর আগেই থেকেই অ্যাকাউন্ট থাকলে লগিন করুন।  

Wasimul Haque Anis
নতুন তথ্যর সন্ধানে,

টাকাটা নিয়ে মুষ্ঠির ভিতরে দিয়ে চাপ দেন। পরে ছেড়ে দেন যদি সাথে সাথে ধীরে ধীরে ঠিক হতে দেখেন তাহলে বুঝবেন আসল আর যদি কোকড়াই হয়ে থাকে তাহলে নকল । 

Mohammad Alif
Digital Marketer | Philosophy Enthusiast

আসল কপির সাথে মিলিয়ে দেখুন, ডিফারেন্স পাবেনই 

এক হাজার টাকার নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য ১৩টি, তন্মধ্যে ৫০০ টাকার ক্ষেত্রে প্রথম ১১টি প্রযোজ্য। এগুলো হলো:
১) রং পরিবর্তনশীল হলো গ্রাফিক সুতা
২) অসমতল ছাপ ;
৩) রং পরিবর্তনশীল কালি;
৪) উভয়দিক থেকে দেখা;
৫) অন্ধদের জন্য বিন্দু ;
৬) জলছাপ;
৭) এপিঠ-ওপিঠ ছাপা;
৮) অতি ছোট আকারের লেখা;
৯) লুকানো ছাপা;
১০) সীমানা বর্জিত ছাপা;
১১) পশ্চাত্ মুদ্রণ;
১২) নম্বর ;
১৩) ইরিডিসেন্ট ও স্ট্রাইপ |

নকল টাকার নোট সাধারণ কাগজে তৈরি হয় বলে নরম ধরনের নোট হয়। আসল টাকা বিশেষ ধরণের কাগজে তৈরি তাই একটু শক্ত হয়। নকল নোটে জলছাপ অস্পষ্ট ও নিম্নমানের হয়। আসল নোটে ‘বাঘের মাথা’ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘মনোগ্রাম’ এর স্পষ্ট জলছাপ রয়েছে। উভয়ই আলোর বিপরীতে দেখা যাবে। আসল টাকা বিশেষ নিরাপত্তামূলক কালিতে ছাপা হয়। এই কালি হাত দিয়ে স্পর্শ করলে উঁচু-নিচু অনুভূত হয়। নকল নোটে হাতের স্পর্শে উঁচু-নিচু বা অসমতল মনে হবে না। আসল নোটে টাকার অঙ্ক লিখতে হলোগ্রাম কালি ব্যবহার করা হয়েছে। টাকা নাড়াচাড়া করলে টাকার অঙ্কের রঙ পরিবর্তন হয়। লেখার ওপর সরাসরি তাকালে গাঢ় গোলাপি বা লালচে এবং তির্যকভাবে তাকালে সবুজ সোনালি রং দেখা যাবে। নকল বা জাল নোটে রঙ পরিবর্তন দেখা যায় না। ম্যাগনিফাইং গ্লাস দিয়ে দেখলে স্পষ্ট দেখা যায় টাকার গায়ে ‘Bangladesh Bank’ লেখাটি অতি ক্ষুদ্র আকারে যা খালি চোখে দেখা যায় না। নকল নোট ম্যাগনিফাইং গ্লাস দিয়ে দেখলে শুধু একটা রেখা দেখা যাবে। আসল নোটে চার মিলিমিটার চওড়া নিরাপত্তা সুতাটি সামনে-পেছনে সেলাই করার মতো রয়েছে। কিন্তু পেছনের দিকে সুতাটি কাগজের ভেতরে অবস্থিত। নোটটি নাড়াচাড়া করলে সুতায় বিভিন্ন রং দেখা যাবে। আলোর দিকে ধরলে উভয় দিক থেকে সুতাটিতে ‘বাংলাদেশ’ লেখা শব্দটি উল্টা ও সোজাভাবে পড়া যাবে। নকল নোটে এতো নিখুঁত ভাবে সুতাটি দিতে পারেনা। আসল নোটের বাম কিনারে বিশেষ ডিজাইন ছাপানো। নোটটি মোড়ানো হলে ডান কিনারের নকশার সাথে মিলে পূর্ণাঙ্গ ডিজাইন হবে। নকল নোটে এ রকম মেলানো বেশ কঠিন।