Skip to main content
Question
Monir Hossain (Hridoy)
CEO at DoNetStuDioLive Channel
Asked a question 7 months ago

ও আই সি-এর মুল লক্ষ্য/উদ্দেশ্যে কি?

কোথায় আপনি?

এই MSB Ask কমিউনিটিতে আপনি যেকোনো প্রশ্ন করতে পারবেন, উত্তর দিতে পারবেন এবং নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারবেন। তাই নতুন হলে সাইনআপ করুন, আর আগেই থেকেই অ্যাকাউন্ট থাকলে লগিন করুন।  

ওআইসির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ৭ টি।
১। সদস্য রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে ইসলামী সংহতি বৃদ্ধি করা।
২। সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রসমূহে সদস্যরাষ্ট্রসমূহের মধ্যে সহযোগিতা সংহত করা এবংআন্তর্জাতিক ফোরামসমূহে নিজেদের মধ্যে পরামর্শ করা।
৩। বর্ণ বৈষম্যের মূলোচ্ছেদ এবং উপনিবেশবাদ বিলোপের চেষ্টা অব্যহত রাখা
৪। আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতি প্রয়োজনীয় সমর্থন প্রদান করা।
৫। পবিত্র স্থান সমূহের নিরাপত্তা বিধানের সংগ্রামকে সমন্বিত এবং সুসংহত করা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায্য সংগ্রামকে সমর্থন করা এবং তাদের অধিকার আদায় এবং স্বদেশ রক্ষা করার কাজে সাহায্য প্রদান।
৬। মুসলমানদের মান মর্যাদা, স্বাধীনতা এবং জাতীয় অধিকার সংরক্ষণের সকল সংগ্রামে মুসলিম জনগণকে শক্তি যোগানো।
৭। সদস্য রাষ্ট্রসমূহ এবং অন্যান্য দেশের মধ্যে সহযোগীতা এবং সমঝোতা বৃদ্ধির জন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা।

ও আই সি-এর মুল লক্ষ্য/উদ্দেশ্যে নিচে দেওয়া হলো , 

ওআইসির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ৭ টি।
১। সদস্য রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে ইসলামী সংহতি বৃদ্ধি করা।
২। সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রসমূহে সদস্যরাষ্ট্রসমূহের মধ্যে সহযোগিতা সংহত করা এবংআন্তর্জাতিক ফোরামসমূহে নিজেদের মধ্যে পরামর্শ করা।
৩। বর্ণ বৈষম্যের মূলোচ্ছেদ এবং উপনিবেশবাদ বিলোপের চেষ্টা অব্যহত রাখা
৪। আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতি প্রয়োজনীয় সমর্থন প্রদান করা।
৫। পবিত্র স্থান সমূহের নিরাপত্তা বিধানের সংগ্রামকে সমন্বিত এবং সুসংহত করা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায্য সংগ্রামকে সমর্থন করা এবং তাদের অধিকার আদায় এবং স্বদেশ রক্ষা করার কাজে সাহায্য প্রদান।
৬। মুসলমানদের মান মর্যাদা, স্বাধীনতা এবং জাতীয় অধিকার সংরক্ষণের সকল সংগ্রামে মুসলিম জনগণকে শক্তি যোগানো।
৭। সদস্য রাষ্ট্রসমূহ এবং অন্যান্য দেশের মধ্যে সহযোগীতা এবং সমঝোতা বৃদ্ধির জন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা।

ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা বা সংক্ষেপে ওআইসি একটি আন্তর্জাতিক ইসলামী সংস্থা। 

১৯৬৭ সালের ছয়দিনের যুদ্ধের পর ১৯৬৯ সালের ২১ আগস্ট ইসরাইল জেরুজালেমের পবিত্র মসজিদুল আকসায় অগ্নিসংযোগ করে। এর ফলে সমগ্র মুসলিম বিশ্বে প্রতিক্রিয়া দেখা দেওয়ায় ২৫ আগস্ট ১৪ টি আরব দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীগণ মিশরের রাজধানী কায়রোতে এক বৈঠকে মিলিত হয়। ওই বছরেরই ২২-২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোর রাবাতে ২৫ টি মুসলিম বিশ্বের রাষ্ট্রপ্রধানদের নিয়ে এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে ২৫ টি মুসলিম রাষ্ট্রের প্রতিনিধিগণের সিদ্ধান্তক্রমে ইসলামী সম্মেলন সংস্থা নামে এই প্রতিষ্ঠানটি আত্মপ্রকাশ করে। মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর পশ্চিম আফ্রিকা, মধ্য এশিয়া, দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া, এবং ভারতীয় উপমহাদেশের ৫৭টি ইসলামী রাষ্ট্র নিয়ে এই সংস্থা গঠিত। এই সংস্থা মূলতঃ মুসলমানদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রতিনিধিত্ব করে থাকে। ওআইসি জাতিসংঘের স্থায়ী প্রতিনিধিত্বমূলক সংস্থা। ওআইসির একটি জাতিসংঘের স্থায়ী প্রতিনিধি দল রয়েছে, এবং বৃহত্তম রাষ্ট্রসংঘের বাইরে আন্তর্জাতিক সংগঠন। ওআইসির সরকারি ভাষা আরবি, ইংরেজি, এবং ফরাসি। এককথায় বলা যায় ওআইসি মুসলিম বিশ্বের সম্মিলিত কন্ঠস্বর।

 

সংস্থাটির বর্তমান মহাসচিব ইউসেফ আল-ওথাইমিন, বর্তমান সদস্যসংখ্যা ৫৭। ১৯৬৯ সালে মরোক্কোর রাবাতে এর প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য মূলত সাত টি-

১। সদস্য রাষ্ট্রসমূহের মধ্যে ইসলামী সংহতি বৃদ্ধি করা।
২। সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রসমূহে সদস্যরাষ্ট্রসমূহের মধ্যে সহযোগিতা সংহত করা এবংআন্তর্জাতিক ফোরামসমূহে নিজেদের মধ্যে পরামর্শ করা।
৩। বর্ণ বৈষম্যের মূলোচ্ছেদ এবং উপনিবেশবাদ বিলোপের চেষ্টা অব্যহত রাখা।
৪। আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রতি প্রয়োজনীয় সমর্থন প্রদান করা।
৫। পবিত্র স্থান সমূহের নিরাপত্তা বিধানের সংগ্রামকে সমন্বিত এবং সুসংহত করা এবং ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায্য সংগ্রামকে সমর্থন করা এবং তাদের অধিকার আদায় এবং স্বদেশ রক্ষা করার কাজে সাহায্য প্রদান।
৬। মুসলমানদের মান মর্যাদা, স্বাধীনতা এবং জাতীয় অধিকার সংরক্ষণের সকল সংগ্রামে মুসলিম জনগণকে শক্তি যোগানো।
৭। সদস্য রাষ্ট্রসমূহ এবং অন্যান্য দেশের মধ্যে সহযোগীতা এবং সমঝোতা বৃদ্ধির জন্য উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করা।

জন্য একটি দেশের জনগণের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ মুসলিম হওয়া শর্ত। রাশিয়া ও থাইল্যান্ডের মতো দেশ সংস্থাটির পর্যবেক্ষক হিসেবে আছে। নানাভাবে, নানা নামে সংস্থাটির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের খবরদারি আছে।
ওআইসির লক্ষ্য ছিল এরকম : It is the collective voice of the Muslim World and works to safeguard and protect the interests of the Muslim World in the spirit of promotion international peace and harmony (আন্তর্জাতিক শান্তি ও সৌহার্দ্যকে সমুন্নত করার ব্রতকে বক্ষে ধারণ করে মুসলিম বিশ্বের স্বার্থ রক্ষার্থে সংস্থাটি সমস্বরে কথা বলবে, মানে কাজ করবে)। ১৯৯০ সালের ২৫ আগস্ট সংস্থার ৪৫টি সদস্য রাষ্ট্রের মন্ত্রীরা কায়রো ডিকারেশনের মাধ্যমে শরিয়াহ ও কুরআনি আইনের আলোকে মহান ইসলামি আদর্শের প্রতিষ্ঠায় সংস্থাটি গাইড হিসেবে কাজ করবে বলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিল। ২০০৮ সালে সংস্থাটি তার চার্টারে আরো একটা নতুনত্ব আনে। তা হলো, সদস্য দেশগুলোর সুন্দর ব্যবস্থাপনা, মৌলিক স্বাধীনতা ও মানবাধিকারের অগ্রগতির জন্য তারা একসাথে কাজ করবে। বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি উন্নয়নে কাজ করাও অন্যতম লক্ষ্য এর। পাঠক! ওআইসির চার্টার বা লক্ষ্য-উদ্দেশ্য অনুসারে, দুনিয়ার কোথাও কোনো মুসলিম দেশ সমস্যাসঙ্কুুল হয়ে পড়লে সংস্থাটি জরুরিভাবে সদস্য মুসলিম দেশগুলোর মিটিং ডাকবে। আলোচনা করে বের করবে সমস্যাক্রান্ত দেশ বা দেশগুলোর সমস্যা কিভাবে নিরসন করা যায়। এ সমস্যা হতে পারে সদস্যভুক্ত কোনো দেশের নিজস্ব মানে অভ্যন্তরীণ, হতে পারে একাধিক মুসলিম দেশের মধ্যকার স্বার্থসংশ্লিষ্ট, হতে পারে একটি মুসলিম দেশের সাথে একটি অমুসলিম দেশের বিরোধ। যেকোনো ক্ষেত্রেই হোক না কেন, মুসলমানদের অভিভাবক সংস্থা হিসেবে সব বিবদমান পক্ষের সাথে আলাপ আলোচনা করে একটা সমাধানের জন্য সর্বাত্মক ও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে চেষ্টা করার কথা সংস্থাটির। কিন্তু দুঃখজনক হলেও বলতে হয়, সংস্থাটি প্রথম দিকে, বিশেষ করে কিছু উদ্বাস্তু পুনর্বাসন এবং সদস্য দেশগুলোর মধ্যকার কারিগরি উন্নয়নে কিছু ভূমিকা রাখলেও বর্তমানে যেন তার খেই হারিয়ে ফেলেছে। কার্যত ওআইসি যেন এখন মাত্র একটা কাগুজে বাঘ। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়, এটি এখন কিছু শাসকের একটা চা পানের কাবে পরিণত হয়েছে। মাঝে মাঝে সংস্থাটির সম্মেলন একটা ঠিকই হয়, কিন্তু সে সম্মেলনে এক কণ্ঠে মুসলিম দুনিয়ার স্বার্থ সংরক্ষণের ব্যাপারে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিতে পারে না দায়সারা গোছের বিবৃতি ছাড়া। দুঃখজনক হলেও সত্য, দুনিয়ায় যত দেশে আন্তর্জাতিক অভ্যন্তরীণ সমস্যা চলছে তার বেশির ভাগই মুসলিম দেশগুলোতে। ফিলিস্তিন সঙ্কট শতাব্দীর ট্র্যাজেডি। সিরিয়া, ইরাক, ইয়েমেন, মিসর ও লিবিয়ার সঙ্কট হাল আমলের মুসলমান দুনিয়ার জন্য ভয়াবহ সঙ্কট। ওআইসির ভাবখানা এমন, যেন এসব কোনো সমস্যাই নয়। মাঝে মধ্যেই জায়নবাদী ইসরাইল সামান্য একটা অজুহাত দেখিয়ে নিজেদের ভিটেবাড়ি থেকে অমানবিকভাবে উচ্ছেদকৃত নিরাশ্রয় ফিলিস্তিনি নারী-শিশুদের পাখির মতো হত্যা করে দুনিয়ার সব মানবতা আর মানবিকতাকে পদদলিত করে। মুসলিম বিশ্বের এ সংস্থাটিকে দেখা যায় না কোনো কার্যকর তৎপরতা চালাতে, অসহায় মুসলমানের পক্ষে। ফিলিস্তিনের পর দুনিয়ায় নির্মম ও অমানবিকভাবে মুসলিম নিধন চলেছিল বসনিয়া-হার্জেগোভিনায়। মুসলমানদের নিজ দেশে সংখ্যালঘু বানাতে সেখানকার খ্রিষ্টানবাহিনী দুনিয়ার বর্বরতম এ হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। ওআইসি চেয়ে চেয়ে শুধু দেখেছে। বর্তমানে দুনিয়ার আরেক বর্বরতম মুসলিম নিধন চলছে শান্তির নোবেল বিজয়িনী অং সান সু কির দেশ মিয়ানমারে। বর্বর ইসরাইল রাষ্ট্রের গণহত্যার শিকার ফিলিস্তিনের এতিম শিশুদের অমুসলিম ভেনিজুয়েলা লালন-পালনের দায়িত্ব নিতে চাইলেও ওআইসি এসব ক্ষেত্রে নির্লিপ্ততা দেখিয়েছে।
ওআইসির সদস্য দেশ বাংলাদেশে চলছে চরম রাজনৈতিক সঙ্কট। দেশটির সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলমানেরা আজ নিজ দেশে অসহায়। গণবিচ্ছিন্ন আর গণধিকৃত একটা সরকারি বাহিনীর হাতে যখন অগণিত মুসলমান নিহত-নির্যাতিত, কয়েক দিন পরে সংস্থাটির মহাসচিব বাংলাদেশে এসে বলে গেলেন ওআইসি কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করে না। তার মানে, সদস্য রাষ্ট্রে মৌলিক মানবাধিকার রক্ষায় অভিভাবক হিসেবে কাজ করার কোনো গরজ তারা বোধ করে না। দেশের বিরাট অংশের মানুষের কাছে ধিকৃত একটা সরকারকে মদদ দিয়ে সাফাই গেয়ে গেলেন। অথচ সংস্থাটির চার্টারে আছে, মুসলিম দেশের শান্তিময় পথ চলায়, মৌলিক মানবাধিকার রক্ষার্থে তারা কাজ করবেন। হোক অভ্যন্তরীণ কী আন্তর্র্দেশীয়, বিশেষ করে সদস্যভুক্ত দেশগুলোর যে কোনো সমস্যা সালিসি মীমাংসার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করতে পারে সংস্থাটি। চার্টার অনুসারে, এটা তাদের দায়িত্বও। কী অভ্যন্তরীণ কী আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রÑ অব্যাহতভাবে মুসলমানদের নিধন করা হচ্ছে আজ দেশে দেশে, মিথ্যা সব অপবাদ দিয়ে মুসলমানদেরকে আজ দুনিয়াব্যাপী চরমভাবে নাজেহাল আর অপমান করা হচ্ছে; হেয় প্রতিপন্ন করা হচ্ছে।
ইসলাম আর মুসলিমবিদ্বেষী অপশক্তি পারলে মুসলমানদের দুনিয়া থেকে নিশ্চিহ্ন করে ফেলেÑ কোথাও কোনোভাবে মুসলিম বিশ্বের শীর্ষ সংস্থাটির কার্যকর ব্যবস্থা নেই অসহায় মুসলমানদের সাহায্যার্থে