Skip to main content
Question
Ahammod Abdullah Rushan
Student ; Knowledge seeker ; Article writer ; Blogger.
Asked a question 4 months ago

ওয়েবসাইট -এর ডোমেইন এবং হোস্টিং এর বেসিক ব্যাপারটা একটু জানাবেন।

কোথায় আপনি?

এই MSB Ask কমিউনিটিতে আপনি যেকোনো প্রশ্ন করতে পারবেন, উত্তর দিতে পারবেন এবং নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারবেন। তাই নতুন হলে সাইনআপ করুন, আর আগেই থেকেই অ্যাকাউন্ট থাকলে লগিন করুন।  

ডোমেইন এর ব্যাপারে বেশি কিছু জানা লাগে না সব ডোমেইন এর ভিতরে একী অপশন থাকে। সেটা ফ্রী .XYZ হক বা ৮.৫ মিলিয়ন ডলার দিয়ে fb.com6 ভিতরে সবই এক। তবে আপানার কাজের সাথে মিল ডোমেইন কিনুন। যেমনঃ .com মানে ব্যাবহারের নিয়ম হচ্ছে এটি শুধু মাত্র ইকমার্স রিলেটেড ওয়েবসাইট এর জন্য। আবার .ORG শুধু মাত্র organization জন্য। যাই হক আপনি চাইলেই যে কোনো ডোমেইন নিতে পারেন। আপানার  কোম্পানি এর সাথে মিল থাকতে হবে এর কোনো মানে নেই। 

এবার বলি হোস্টিং  ব্যাপারে। কি কি থাকলে আপানার হোস্টিং ভালও টা বুজবেন। 

  • SSD সার্ভার, Nvme হলে আরও ভালও। তবে HDD একদম এ নিবেন না।
  • ২৪/৭ টেকনিকাল  সার্ভিস দেই এমন কোম্পানি। এতে আপনি যদি কোনো কিছু না বুজেন তাইলে তাদের বললেই তারা সমাধান করে দিবে। তবে বাংলাদেশে ২৪ ঘণ্টা সার্ভিস কেও দেই না।
  • Litespeed Web Server হতে হবে এটি Litespeed Web Server গুলো অনেক ফাস্ট হয়। এটি নরমাল Apache থেকে কম করে হলেও ২০ গুন ফাস্ট। ও Apache থেকে ভালও সার্ভিস দেই।
  • মিনিমাম ৩ জিবি SSD storage
  • ফ্রী Backup
  • 1 GB RAM Limit 1 Core থাকতে হবে সার্ভার এ
  • Databases যত বেশি থাকে তত ভালও
  • Unlimited sub-domains
  • Unlimited Email Accounts
  • cPanel Control Panel
  • bandwidth ৫০ জিবি মাসে হল অনেক ভালও। তবে আরও বেশি প্রয়োজন হলে বাড়াতে পারেন। 

এসব দেখে আপানার হোস্টিং নির্বাচন করুন। প্রায় বাংলাদেশের সব হোস্টিং কোম্পানি একী রকম সেবা দেই। তবে মানের থাকে পার্থক্য। তবে বিদেশি হোস্টিং কোম্পানি গুলো ২-১ ফ্রী অ্যাড অন দেই। 

ডোমেন

আপনি যখন ফেসবুক ভিজিট করেন, তখন নিশ্চয়ই খেয়াল করেছেন, ব্রাউজারে আপনাকে একটা এড্রেস এন্টার করতে হয়। এই facebook.com5 হচ্ছে ফেসবুকের এড্রেস। এখানে facebook.com5 হচ্ছে ডোমেইন নেম, যেখানে .com অংশটা মূলত domain suffix. এরকম আরও বেশ কিছু ডোমেইন সাফিক্স আছে যেমন .net , .info .gov প্রভৃতি। m.facebook.com5 এড্রেসে m হচ্ছে সাবডোমেইন। ইন্টারনেটে ওয়েব অ্যাড্রেসমূহ ইউআরএল (URL – Uniform Resource Locator) হিসেবে পরিচিত। সহজ কথায়, ডোমেইন নেম হচ্ছে একটা ওয়েবসাইটের নাম বা পরিচিতি।

হোস্টিং-

ডোমেইন কেনা হয়ে গেলে এবার আপনার সাইটের জন্য হোস্টিং সার্ভিস দরকার। কারণ সাইটের পোস্ট, ছবি প্রভৃতি সংরক্ষণের জন্য একটা জায়গা আবশ্যক। সাইটটি চালাতে যে সফটওয়্যার প্রয়োজন সেগুলোও তো কোথাও না কোথাও ইনস্টল করা থাকতে হবে, তাইনা? হোস্টিং হচ্ছে সেই জায়গা যেখানে আপনার সাইটের ফাইলপত্র সংরক্ষিত থাকে। বিভিন্ন দেশি বিদেশি কোম্পানি সাইটের জন্য হোস্টিং সার্ভিস দিয়ে থাকে।

এগুলা হচ্ছে ডোমেন এবং হোস্টিং এর বেসিক।

আরও জানতে এখানে ভিজিট করতে পারেন-

 shorturl.at/afXY58

Wasimul Haque Anis
নতুন তথ্যর সন্ধানে,

১) ডোমেইন 

ওয়েরসাইট করতে হলে আপনাকে আপনার ওয়েবসাইটের একটি নাম দিতে হবে। আর ওয়েবসাইটের সেই নামকেই বলা হয় ডোমেইন। যে নামের মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট লোকজন খুজে পাবে সেটাই হলো ডোমেইন। যেমন আমরা ফেইসবুক কে খুজে পাই www.facebook.com4 দিয়ে। গুগল কে অমারা খুজেপাই www.google.com2 দিয়ে। যে নাম দিয়ে আপনার ওয়েবসাইট একজন লোক ভিজিট করবে সেটাই হলো আপনার ওয়েবসাইটের ডোমেইন । ডোমেইন শুধুমাত্র .com দিয়েই হবে সেরকম নয়, বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইটে বিভিন্ন ধরনের ডোমেইন লোকজন ব্যবহার করে। ব্যবসা বা সাধারন ব্যবহারের জন্য সবাই .com ই ব্যবহার করে। তবে বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইটের জন্য লোকজন বিভিন্ন ডোমেইন এক্সটেনশন ব্যবহার করে যেমন: অরগানাইজেশনের জন্য .org, নেটওয়ার্কিং সাইটের জন্য .net (www.webhostbd.net4), ইনফরমেশন সাইটের জন্য .info ইত্যাদিসহ আরও অনেক ধরনের ডোমেইন ব্যবহার করা হয়।

উপরে যে ডোমেইনের কথা বলা হলো সেটা প্রিমিয়াম ডোমেইন। এগুলো আপনার ওয়েবসাইটে ব্যবহার করতে হলে আপনাকে টাকা দিয়ে কিনতে হবে। সাধারনত এধরনের ডোমেইনের মূল্য ৮০০-২০০০ টাকার মধ্যে হয়ে থাকে এক বছরের জন্য।

২) হোস্টিং 

অনেকেই ডোমেইন কি তা জানেন কিন্তু হোস্টিং কি তা জানেন না। আপনি একটি ডোমেইন কিনলেন তাহলে আপনি আপনার ওয়েবসাইটের একটি নাম কিনলেন। আপনার ওয়েবসাইট কে এমন একটা পিসি তে রাখতে হবে যেটা ২৪ ঘন্টা এবং বছরে ৩৬৫ দিন অন থাকবে। সবসময় চালু থাকে এমন একটা পিসিতে আপনার ওয়েবসাইট রাখার সুবিধা দিয়ে থাকে হোস্টিং কোম্পানীগুলো। হোস্টিং কোম্পানীগুলো মাসিক বা বাৎসরিক টাকার বিনিময়ে এ সার্ভিস দিয়ে থাকে। বিভিন্ন কোম্পানী বিভিন্ন ধরনের মূল্যে হস্টিং প্রভাইড করে। বাংলাদেশে আপনাকে হোস্টিং নিতে হলে বিভন্ন কোম্পানীকে বিভিন্ন ধরনের মূল্য পরিশোধ করতে হবে। তাদের পিসি থেকে নিদৃস্ট পরিমান জায়গা আপনাকে কিনে ব্যবহার করতে হবে। আর আপনি আপনার ওয়েবসাইটের জন্য যে জায়গাটা কিনবেন সেইট হলো হোস্টিং। আপনি চাইলে আপনার বাসার পিসিতেও আপনার ওয়েবসাইট রাখতে পারেন কিন্তু আপনার বাসার পিসি কি ২৪ ঘন্টা ৩৬৫ দিন চালু থাকে? আপনি আপনার পিসিতে ওয়েবসাইট রাখলে আপনার কম্পিউটার বন্ধ বা ইন্টারনেট সংযোগ না থকলে আপনার ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইট দেখতে পারবে না। আপনি যে পিসিতে আপনার ওয়েবসাইট হোস্ট করবেন সেটা সবসময় চালু থকতে হবে। আনার সাইট হোস্ট করা পিসি চালু থাকলেই আপনার ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইট দেখতে পাবেন।

বাংলাদেশের হোস্টিং কোম্পানী সহ বিশ্বের যে সকল হোস্টিং  কোম্পানী আছে, তারা বিভন্ন ধরনের হোস্টিং বিক্রি করে। যেমন: শেয়ার হোস্টিং, ভিপিএস, ডেডিকেটেড সার্ভার ইত্যাদি। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী আপনাকে হোস্টিং স্পেস কিনতে হবে।

যারা জানে না তারা অনেকেই মনে করেন ডোমেইন হোস্টিং মনে হয় একই জিনিস । অথবা একটা কিনলে ২ টাই পাওয়া য়ায়। না মুলত ডোমেইন এক জিনিস আর হোস্টিং আরেক জিনিস। ২ টাই আপনাকে কিনতে হবে অলাদা আলাদা টাকা দিয়ে। তবে সাধারনত যারা হোস্টিং বিক্র করে তারা ডোমেইন ও বিক্রি করে। আপনি চাইলে একই প্রভাইডারের কাছ থেকে ২ টাই কিনতে পারেন। আবার চাইলে আলাদা কোম্পানীর কাছ থেকেও কিনতে পারেন। তবে আমি বলবো আপনি ডোমেইন এবং হোস্টিং একই কোম্পানীর কাছ থেকে কিনেন তাতে আপনার মেইনটেনেন্সে সুবিধা হবে।

সহজ ভাষায় হোস্টিং হচ্ছে ইন্টারনেটে কোন একটি জায়গা, যেখানে আপনি আপনার কোন তথ্য রাখবেন এবং তা বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে রক্ষণাবেক্ষণ করবেন এমন একটি মাধ্যম। সাধারনভাবে, আমার কোন একটি ওয়েবসাইটের জন্য হোস্টিং ব্যবহার করি। কারণ, ওয়েবসাইটের টেক্সট, ইমেজ, অন্যান্য ফাইল, অডিও/ভিডিও কন্টেন্ট (যদি থাকে) এগুলো ওয়েবসাইটে দেখানোর জন্য আমাদের হোস্টিং ব্যবহার করতে হয়। হোস্টিং ছাড়া, ইন্টারনেটে ওয়েবসাইট চালাতে পারবেন না। যেমনঃ microsoft.com5, facebook.com6, google.com6 প্রতিটিই আলাদা আলাদা হোস্টিং-এ চলে। ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি অনুযায়ী হোস্টিং-এর সাইজ (MB/GB) এবং দাম নির্ভর করবে।