// Start Helpshelf Code // End of Helpshelf Code
Skip to main content
Asked a question 2 months ago

ফিটনেস বাড়ানোর জন্য কি কি করতে পারি?

কোথায় আপনি?

এই MSB Ask কমিউনিটিতে আপনি যেকোনো প্রশ্ন করতে পারবেন, উত্তর দিতে পারবেন এবং নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে পারবেন। তাই নতুন হলে সাইনআপ করুন, আর আগেই থেকেই অ্যাকাউন্ট থাকলে লগিন করুন।  

কিছু রুলস ফলো করে শারীরিক ভাবে ফিট হতে পারবেন।

১.সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করুন :

এর জন্য আপনাকে প্রতিদিনের খাবার থেকে পুষ্টি উপাদান, ভিটামিন এবং মিনারেল গ্রহণ করতে হবে। তবে আপনি যদি কোনো ধরনের শারীরিক ব্যায়াম করে থাকেন তাহলে আপনাকে অতিরিক্ত কিছু সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করতে হবে। এক্ষেত্রে প্রোটির পাউডার ব্যবহার করতে পারেন।

২. অনবরত খাবার খান :

আপনি যদি পেশীকে দৃঢ় করতে চান তাহলে অনবরত খাবার খেতে থাকুন। এর মধ্যে প্রোটিন, আমিষ, শর্করা এবং চর্বি জাতীয় খাবার বেশি করে খান।শাক-সবজি খেতে হবে। এছাড়া প্রতিদিন ৩০০-৬০০ ক্যালরিযুক্ত খাবার খান। পাশাপাশি মিষ্টি জাতীয় খাবারও বেশি করে খেতে পারেন।

৩. বেশি করে মাংস খান :

মাংসে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট, প্রোটিন, ফাইবার, ক্যালরি আছে যেগুলো দেহে শক্তি যোগাতে সাহায্য করবে এবং পেশী গঠনে সহায়তা করবে। এছাড়া স্বাস্থ্যকর পেশী গঠনে প্রতিদিন ৫০০-১০০০ ক্যালরি প্রয়োজন যা দেহের মেটাবলিক হার বাড়িয়ে দেবে। তাই এর জন্য বেশি পরিমাণে গরুর মাংস, খাসির মাংস এবং ডিম দুধ জাতীয় খাবার খান।

৪. ভার উত্তোলন ব্যায়াম করুন :

এমনও হতে পারে যে অতিরিক্ত খাবার খেলে আপনার শরীরের আভ্যন্তরীন শক্তি অর্জিত হচ্ছে, শরীরের পুষ্টি পূরণ হচ্ছে কিন্তু আপনার পেশীর তেমন কোনো উন্নতি হচ্ছে না শুধু আপনার তলপেট অনেক বেশি ভারী হয়ে যাচ্ছে।

এমন ধরনের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আপনাকে অবশ্যই নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি ভার উত্তোলন ব্যায়ামটি করতে পারেন। এতে করে আপনার ক্ষুধা বাড়বে এবং আপনি শারীরিকভাবে ফিট হয়ে উঠবেন।

ফিটনেস বাড়ানোর জন্য আগে কিছু জিনিশ ত্যাগ করতে হবে। তার পর নতুন কিছু অভ্যাস গ্রহণ করতে হবে। যেমন ত্যাগ করতে হবে

  • ধূমপান ত্যাগ
  • ফাস্ট ফুড
  • নেশা জাতীয় দব্র ত্যাগ করা
  • বাসি পচা খাবার ত্যাগ করুন

এবার আসি কি কি খাবেন। 

  • স্বাস্থ্যকর খাবার খান 

খালি পেট ভরে এটা সেটা খেলেই হবে না। খেতে হবে উপযুক্ত খাবারটি। আপনার শরীরে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে প্রোটিন, কার্বন এবং ফ্যাট এর প্রয়োজন হয় প্রতিদিন। এর জন্য প্রতিদিন বাদাম এবং দুগ্ধজাত খাবার খান। প্রোটিনযুক্ত খাবার পেশী গঠনে সহায়তা করে। এটি শরীরের ওজন বৃদ্ধি করে থাকে। তাই প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণে মাংস গ্রহণ করুন। রোজ খান ডিম, পনির ও পর্যাপ্ত পরিমাণে ভাত-রুটি-আলু। ওজন বাড়াতে চাইলে বসা ভাত খেলেই উপকার পাবেন। কেননা এটা থাকে প্রচুর ক্যালোরি। মিষ্টি খান রোজ

  • বেশি পরিমাণে তরল জাতীয় খাবার গ্রহণ করুন 

একটু পর পর তরল জাতীয় খাবারে ক্ষুধা দ্রুত তৈরি করে। এজন্য আপনি ক্ষুধা তৈরি করার জন্য একটু পর পর তরল জাতীয় যেকোনো খাবার খেতে পারেন। তবে অবশ্যই মনে রাখবেন ভারী খাবার খাওয়ার আগে এবং খাবারের মাঝখানে কখনই পানি খাওয়া ভালো না। এতে করে খাবার মাঝখানে পানি ক্ষুধাটাকে নিবারণ করে। ফলে ভারী খাবার খাওয়ার রুচি থাকে না।

  • ঘুম

শরীর ঠিক রাখতে ঘুম খুবই প্রয়োজন। প্রতিদিন ৮ ঘণ্টা অবশ্যই ঘুমাতে হবে। এর থেকে কম হওয়া যাবে না।
 

  • সঠিক নিয়মে খান

আপনি যদি নিয়ম করে খাবার তালিকা তৈরি করে খেয়ে থাকেন তাহলে আপনার ওজন বাড়তে সহায়ক ভূমিকা রাখবে। দিনের একটি বড় তালিকা তৈরি করুন ও সেটি পালন করুন ঘড়ি ধরে। মোটামুটিভাবে ৪ সপ্তাহের মধ্যে একটি ভালও ফলাফল পাবেন। ওজন বাড়ে সহায়ক খাবার গুলো রোজ খাবেন ও পর্যাপ্ত ঘুমাবেন।
 

  • শারীরিক ব্যায়াম

কিছু বিশেষ ব্যায়াম শরীরের পেশী তৈরি করে ও ওজন বাড়ায়। তাছাড়া ক্ষুধার উদ্রেকও করে। জিমে যাওয়া শুরু করুন নিয়মিত, ট্রেইনারের কথা মেনে চলুন। চমৎকার শরীর তৈরি হবে।আবার আপনি যদি শুধু ক্যালরিযুক্ত খাবার খেয়েই যান আর কোনো ধরনের ব্যায়াম না করেন তাহলে আপনার শরীরের কিছু অংশে অতিরিক্ত মেদ দেখা দেবে যেমন তলপেটসহ অন্যান্য অংশে কিন্তু আপনার ওজন বাড়াতে খুব একটা সহায়ক ভূমিকা রাখবে না। এজন্য যতটা সম্ভব শারীরিক ব্যায়াম করুন। এতে করে দেহের অতিরিক্ত মেদ নিঃসরণ করে একটা ভালো ওজন পেতে পারেন।

বেশি করে ডাব, ডিম, মাংস, দুধ খান। 

ক্ষুধা বাড়াতে হবে
শরীরের ওজন বাড়াতে খাওয়া প্রয়োজন। আর খাওয়ার জন্য প্রয়োজন ক্ষুধা। ক্ষুধা থাকলেই সঠিক পরিমাণে উপযুক্ত খাবার খাওয়া সম্ভব। কিন্তু ক্ষুধা তো এমনিতে বাড়বে না, সে জন্য প্রয়োজন পরিশ্রম। এক ঘণ্টার শারীরিক পরিশ্রম বা ব্যায়াম প্রয়োজনীয় ক্ষুধা বাড়ানোর জন্য যথেষ্ট।

তিনবার খাওয়া
হালকা-পাতলা শরীরের লোকজন খাবারের ব্যাপারে সাধারণত দুটি ভুল করে থাকে। কিছু সময় পরপরই খাবারে ব্যস্ত থাকে। খাবারের তালিকায় বেশির ভাগ সময়ই থাকে ফাস্টফুডের লোভনীয় পদ। কিন্তু তিনবার ভালোভাবে খাওয়াটাই সবচেয়ে ভালো। সেই সঙ্গে ফাস্টফুডের ওপর থেকে নজরটা সরিয়ে নেওয়া স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। তবে লক্ষ রাখতে হবে, যা খাওয়া হয় তা যেন যথেষ্ট ক্যালরি সমৃদ্ধ হয়। আধিক্য থাকে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবারের।

ফাস্ট ফুড
হালকা শরীরের লোক খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে তেমনটা যত্নশীল নয়, বিশেষ করে ফাস্ট ফুড দেখলে তো কথাই নেই। খাবারের ওপর হামলে পড়ে। এতে বাইরে থেকে আপনার শরীর হালকা-পাতলা দেখালেও ঠিকই শরীরের ওজন বাড়ছে, তবে সঠিক স্থানে নয়।

ধূমপান ত্যাগ
ধূমপান ক্ষুধা নষ্ট করে দেয়। প্রয়োজনীয় খাবার গ্রহণের জন্য খাওয়ার আগে ধূমপান করা ভালো নয়। অবশ্য ধূমপানের অভ্যাস থাকলে তা ত্যাগ করাই ভালো।                                   

প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার
মাসল বা মাংসপেশি বাড়াতে খাবারে প্রোটিনের পরিমাণ বাড়াতে হবে। পরিশ্রমের পর খাবারে যে উপাদানটা গুরুত্বপূর্ণ তা হলো প্রোটিন। কেননা পরিশ্রমে যে শক্তি ক্ষয় হয় তা পূরণে এটার অবদান যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি এটা মাংসপেশি গঠনে বড় ভূমিকা রাখে।